Home » Plants Clinic » বেগুনের ফোমোপসিস রোগ

বেগুনের ফোমোপসিস রোগ

Categories: Plants Clinic

🟣 বেগুনের ফোমোপসিস রোগ

(ফল ও কাণ্ড পচা রোগ)

বেগুন বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সবজি। তবে বেগুন চাষে ফলন ও গুণগত মানে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করে ফোমোপসিস বা ফল ও কাণ্ড পচা রোগ। এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা এবং সঠিক দমন পদ্ধতি জানা অত্যন্ত জরুরি।


🔍 রোগের কারণ:
  • Phomopsis vexans নামক ছত্রাক এই রোগের জন্য দায়ী।
  • এটি বীজ, মৃত উদ্ভিদাংশ ও মাটির মাধ্যমে ছড়ায়।
  • বৃষ্টির পানি বা সেচের মাধ্যমে ছড়ানো:পানির মাধ্যমে আক্রান্ত গাছের ছত্রাক সুস্থ গাছে পৌঁছে যায়।
  • জীবাণুমুক্ত না করা চাষাবাদ উপকরণ: সংক্রমিত যন্ত্রপাতি বা হাতের মাধ্যমে ছত্রাক ছড়ায়।
  • উপযুক্ত রোগ প্রতিরোধী জাত না লাগানো:প্রতিরোধী জাত ব্যবহার না করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে।
  • আক্রান্ত গাছের ফেলে দেওয়া অংশ:মাঠে ফেলে রাখা পচা ফল, পাতা বা কাণ্ডের মাধ্যমে ছত্রাক বেঁচে থাকে।
⚠️ রোগের লক্ষণ:

কাণ্ডে আক্রমণ:

  • মাটি থেকে একটু উপরেই গোলাকার বাদামী বা গাঢ় বাদামী দাগ দেখা যায়।
  • সময়ের সাথে দাগ বড় হয়ে কাণ্ডে পচন সৃষ্টি করে।

পাতায় আক্রমণ:

  • মূলত পুরনো পাতায় দেখা যায়।
  • পাতায়ও বাদামী দাগ ও পচনের লক্ষণ থাকে।

ফলে আক্রমণ:

  • বেগুনে গোলাকার বাদামী দাগ হয়, যা পরে বড় হয়ে পচন সৃষ্টি করে।
  • আক্রান্ত ফল দ্রুত নষ্ট হয়ে পড়ে।

ছড়ানোর ধরণ:

  • রোগ দ্রুত গাছ থেকে গাছে ছড়ায়, বিশেষত আর্দ্র পরিবেশে।

✅ দমন ব্যবস্থাপনা:

🔹 সাংস্কৃতিক ব্যবস্থাপনা:

  • জীবাণুমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে।
  • ছিদ্রের মুখে বাদামী করাতের গুঁড়ার মতো বীজের গুঁড়া দেখা যায়।
  • পূর্ববর্তী ফসলের অবশিষ্টাংশ ধ্বংস করতে হবে।
  • জমি পরিষ্কার ও আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।
  • আক্রান্ত গাছ দ্রুত তুলে ফেলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
  • প্রয়োজন হলে সেচ সাময়িক বন্ধ রাখা উচিত।

🔹 রাসায়নিক ব্যবস্থা:

  • আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মি.লি. “Tip-Off 28 SC” মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
  • “Tip-Off” (ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার) একটি আধুনিক ছত্রাকনাশক, যা প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক উভয়ভাবেই কাজ করে।

ফোন:কল করুন+৮৮০১৭৮৬৮৭৭৩৭৭

ইমেল:ইমেল করুনinfo@nabacropcare.com

ঠিকানা:এনজিআই গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, বামনশিখর, খড়খড়ি, মতিহার, রাজশাহী

নিউজলেটার সাবস্ক্রিপশন